ভাওয়াল রাজবাড়ি গাজী রাজ বংশ অবসানের পর ১৭৩৭ খ্রিঃ খাজনা বাকি পড়ায় মুর্শিদাবাদের নবাব কোর্টে নিলাম ডাকে জমিদারী কিনে নেন। এভাবে ১৭৩৮ খ্রিঃ থেকে ভাওয়াল রাজ বংশের শাসন শুরু হয়। ভাওয়াল রাজ্যের জমিদারি ছিল পূর্ববঙ্গের মধ্যে সবচাইতে বৃহৎ ও প্রাচীন। সতেরো শতকের শেষ দিকে এই রাজ্যে জমিদারি প্রথা শুরু হয়। ১৮৭৮ সালের দিকে এখানকার রাজপরিবার ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে রায় ও রাজা উপাধি লাভ করে। সেসময় ভাওয়ালের রাজা ছিলেন কালীনারায়ণ। তার পরে জমিদারির দায়িত্ব পান তার একমাত্র পুত্র রাজেন্দ্রনারায়ণ। তিনিও খুব বেশিদিন জমিদারি ভোগ করতে পারেননি। তার মৃত্যুর পর তিন পুত্রকে জমিদারির বিভিন্ন অংশের দায়িত্ব বুঝিতে দেওয়া হয়। এই তিন ভাইয়ের মধ্যে দ্বিতীয়জন, অর্থাৎ রমেন্দ্রনারায়ণকেই মূলত ভাওয়াল রাজা বলা হয়। ভাওয়াল রাজবাড়ী ঘিরে এমন ঘঠনা করেছে যা রুপকথাকে হার মানায়। গুগুল করে জানতে পারবেন কিংবা ভাওয়াল রাজবাড়ী / সন্ন্যাসী রাজার বাড়ীকে নিয়ে মুভি তৈরী হয়েছে মুভি- এক যে ছিল রাজা (কলকাতা সাম্প্রতিক মুভি), সন্ন্যাসী রাজা যেভাবে যাবেনঃ ঢাকা থেকে সড়ক পথ এবং রেলপথে যাওয়া যায় জয়দেবপুর রাজবাড়িতে। বাস যোগে ঢাকা থে...